মেক্সিকোর মেয়ে জেসিয়ার বয়স মাত্র ১১ বছর। কিন্তু তার ইউটিউব চ্যানেলে রয়েছে ১১ লক্ষের বেশি ভক্ত। কিন্তু এত অল্প বয়সে এই বিশ্বজোড়া খ্যাতি সে কি ভাবে সামাল দেয়? এই প্রশ্ন নিয়ে তার সাথে কথা বলেছিল BBC এর একজন সাংবাদিক

হাই- আমার নাম জেসি। আমার বয়স ১১। ইউটিউবে আবার ভিডিও ১৩ কোটি ৫০ লক্ষের বারের চেয়ে বেশি দেখা হয়েছে।

জেসিয়া মেক্সিকোর একজন ইউটিউব সুপারস্টার। তারকোন স্ক্রিপ্ট লাগেনা। সে ক্যামেরার সাথে কথা বলে, আর তাতেই সে খুশি। ভাই পেপে-র সাহায্য নিয়ে জেসিয়া ভিডিও তৈরি করে।

সে জিজনির জন্য যে ভিডিও তৈরি করেছে সেটিতে ২ কোটি ৩০ লক্ষ ভিউ হয়েছে ইউটিউবে।

অল্প বয়সে ইউটিউব শুরু করায় সে সহজেই তার ফ্যানদের সাথ মিশতে পারে।

জেসি: বিখ্যাত হতে আমার ভালো লাগে। যখন দেখি মানুষ আমার ভিডিও দেখে খুশি হয় তখন আমার ভালো লাগে।

রিপোর্টার: দর্শক সংখ্যা কমে গেলে কি তুমি চিন্তিত হও?

জেসি: হ্যা কখনো কখনো। কারণ মানুষ আমার কন্টেন্ট দেখলে আমি খুশি হই।

কিন্তু বিগত বছর জেসি ইউটিউবে ভিডিও পোষ্ট করা বন্ধ করে দিয়েছিল।

সে তার একটি ভিডিওতে বিষয়টা নিয়ে বলেছিল এভাবে: হ্যালো, আমার নাম জেসিয়া। আপনারা আমাকে জেসি নামেই চিনে থাকেন। আজ আমি আপনাদেরকে বলবো কি ভাবে আমার জীবন একেবারে বদলে গিয়েছে।

উনি আমার মা। নাম অ্যালিসিয়া। আমার ভাই পেপে এবং আমার জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি। একদিন মার শরীর খারাপ হয়। প্রচন্ড ব্যাথা সহ্য করতে পারছিলেন না।

তার মায়ের ক্যান্সার ধরা পড়ে এবং কিছু দিন পর তিনি মারা যান। তার মা চেয়েছিলেন কেউ যেন তাকে ভুলে না যায়। সে জন্যই ভিডিওটি তৈরি করা হয়। আর তার যমোজ খালা মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করে। এখন পর্যন্ত ভিডিওটি ২০ লক্ষের বেশি মানুষ দেখেছে এবং এখনও দেখছে।

রিপোর্টার: আগে লক্ষ লক্ষ মানুষ তোমার ভিডিএ দেখতো, কিন্তু এখন?

জেসি: এখন অত লোক দেখানা। কারণ আমি মাঝখানে ইউটিউব ছেড়ে দিয়েছিলাম মা মারা যাওয়ার কারণে। আমার ভালো লাগতোনা তাই সরে গিয়েছিলাম।

রিপোর্টার: এখন তোমার ভালো লাগে?

জেসি: হ্যা।

জেসিয়ার মায়ের মৃত্যুর পর কিছুদিন সে ভিডিও তৈরি করা বন্ধ করলেও বর্তমানে সে আবারও ভিডিও তৈরি করা শুরু করেছে।

তবে তার ভাই পেপ বলেছে- আমরা সবাই তার খুবই যত্ন নেই, তাকে আগলে রাখি। আমার মনে হয় মায়ের মৃত্যুতে একদিক থেকে তার লাভই হয়েছে। সে অন্তত কিছুদিন এসব থেকে দূরে ছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here